আমাদের পথ
আমরা পুরনো পথ বদলাই না। তাকে একটি স্মৃতি দিই।
বাংলাদেশে কাজ এখন যেভাবে হয়, কর্মীক সেখান থেকেই শুরু করে, আর যোগ করে সেই একটি জিনিস, যা আগে কখনো ছিল না।
পুরনো পথ
ফোনকল, নগদ টাকা, সর্দার।
দ্রুত আর চেনা। কিন্তু দিন শেষে কোনো রেকর্ড থাকে না।
কর্মীকের পথ
একই মানুষ, একই গতি।
সঙ্গে সেই একটি জিনিস, যা আগে কখনো ছিল না: প্রতিটি কাজের দিন রেকর্ডে, কর্মীর নিজের নামে।

একটি রেকর্ড, যা আপনার।
বাদ নয়, পদোন্নতি।
অন্য প্ল্যাটফর্মগুলো সর্দারকে বাদ দিতে চায়, আর ব্যর্থ হয়। যারা কাজ সংগঠিত করেন, তাদের হাতেই কাজ হয়।
কর্মীক সর্দারদের যুক্ত করে টিম লিডার হিসেবে। তাদের নেটওয়ার্ক থাকে, নির্ভরযোগ্য দলের জন্য নাম হয়, আর সামনে এগোনোর পথ তৈরি হয়, যেমন লাইসেন্সধারী ঠিকাদার হয়ে ওঠা।
প্রত্যেক কর্মীর জন্য আমরা যা গড়ছি
স্বীকৃত
প্রতিটি কাজের দিন গোনা হয়, কর্মীর নিজের নামে।
পুরো মজুরি, সময়মতো
মজুরি কম এলে ভরসা করার মতো একটি রেকর্ড।
সুরক্ষিত
দরকারের দিনে প্রমাণ যে তারা কাজে ছিলেন।
ছয়টি নীতি
আমরা আগে শুনি।
আমরা মাঠ থেকে শুরু করি, যারা কাজ করেন তাদের সঙ্গে।
কাজ এখন যেভাবে হয়, তার ওপরই গড়ি।
একই ফোনকল, একই দল, একই জায়গা। নতুন করে কিছু শিখতে হয় না।
রেকর্ডের মালিক কর্মী।
তারা যেখানে যান, রেকর্ডও সেখানে যায়, এক কাজ থেকে আরেক কাজে, বছরের পর বছর।
কাজের সঙ্গে যুক্ত সবার প্রতি ন্যায্য।
কর্মী, টিম লিডার ও ক্লায়েন্ট, প্রত্যেকে সত্যিকারের কিছু পান।
সবার আগে বাংলা, সাধারণ ফোনের জন্য তৈরি।
কর্মীর পকেটের ফোনে না চললে, সেটা আসলে চলে না।
প্রতিটি ধাপে সৎ।
কী তৈরি, কী তৈরি নয়, আর কী বদলাতে পারে, আমরা তা খোলাখুলি বলি।
আমরা যা করব না
- কর্মীদের তথ্য বিক্রি
- যারা কাজ সংগঠিত করেন তাদের বাদ দেওয়া
- দরকারের বেশি কিছু চাওয়া
- সব তৈরি হয়ে গেছে বলে ভান করা


